
জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তরের চাঁদপুর জেলা কার্যালয়ের সহকারী পরিচালক আব্দুল্লাহ আল ইমরানের নেতৃত্বে এ অভিযান পরিচালনা করা হয়।
অভিযানে মূল্য তালিকা না থাকা, পচা-বাসি খাবার সংরক্ষণ এবং খাবারে ক্ষতিকর রং ও রাসায়নিক ব্যবহারের অভিযোগে ইসলামীয়া বিরিয়ানী হাউজকে ২০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়। উৎপাদন ও মেয়াদোত্তীর্ণের তারিখবিহীন খাদ্যপণ্য সংরক্ষণ ও বিক্রির অভিযোগে প্রধানীয়া এন্টারপ্রাইজকে ১০ হাজার এবং একই ধরনের অনিয়মের অভিযোগে নিউ মিতালী ফুডকে ৫ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়।
এ ছাড়া মেয়াদোত্তীর্ণ ওষুধ রাখার দায়ে বন্ধু মেডিসিনকে ১০ হাজার টাকা এবং মূল্য তালিকা না থাকায় রাজ হোটেলকে ৫ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়। সব মিলিয়ে পাঁচ প্রতিষ্ঠানকে ৫০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়েছে।
ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তর জানায়, অভিযুক্ত প্রতিষ্ঠানগুলো তাৎক্ষণিকভাবে জরিমানার অর্থ পরিশোধ করেছে এবং ভবিষ্যতে এ ধরনের অনিয়ম থেকে বিরত থাকার অঙ্গীকার করেছে। অভিযানের সময় জব্দ করা পচা-বাসি খাবার, ক্ষতিকর রং ও রাসায়নিক ধ্বংস করা হয়।
অভিযানের অংশ হিসেবে রহিমানগর বাজারের আরও কয়েকটি প্রতিষ্ঠান পরিদর্শন করা হয়। এ সময় ব্যবসায়ী ও সাধারণ মানুষের মধ্যে ভোক্তা অধিকার বিষয়ে সচেতনতামূলক লিফলেট বিতরণ করা হয়।
অভিযানে কচুয়া উপজেলার স্যানিটারি কর্মকর্তা মো. আহসান উল্লাহ তালুকদার এবং বাংলাদেশ আনসার ও গ্রাম প্রতিরক্ষা বাহিনীর একটি দল সার্বিক সহযোগিতা করে।
জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তরের চাঁদপুর জেলা কার্যালয় জানিয়েছে, ভোক্তাদের স্বার্থ রক্ষায় এ ধরনের অভিযান অব্যাহত থাকবে।