
স্টাফ রিপোর্টার : পরিকল্পিত ও টেকসই অবকাঠামোগত উন্নয়ন যে কোনো শহরের অগ্রগতির মূল শর্ত। সড়ক প্রশস্তকরণ কিংবা সৌন্দর্যবর্ধনের মাধ্যমে নাগরিক সুবিধা বাড়ানো সরকারের একটি প্রশংসনীয় উদ্যোগ। তবে এই উন্নয়ন যদি সমন্বয়হীনতার বলি হয়ে পরবর্তীতে দুর্ভোগ ও অপচয়ের কারণ হয়ে দাঁড়ায়, তবে তার দায় এড়ানোর সুযোগ থাকে না। চাঁদপুর-কুমিল্লা আঞ্চলিক মহাসড়কের হাজীগঞ্জ বাজারে চলমান সড়ক উন্নয়নকাজের মাঝখানে থাকা ১৪টি বৈদ্যুতিক খুঁটি দ্রুত অপসারণ বা স্থানান্তরের দাবিতে চাঁদপুর পল্লী বিদ্যুৎ সমিতি-১-এর মহাব্যবস্থাপককে স্মারকলিপি প্রদান করা হয়েছে। স্থানীয় সচেতন নাগরিক, উদ্যোক্তা ও গণমাধ্যমকর্মীদের এ দাবি অত্যন্ত যৌক্তিক, বাস্তবসম্মত ও সময়োচিত।
উন্নয়ন প্রকল্পের আওতায় ড্রেন নির্মাণ ও সড়ক সংস্কারের ফলে হাজীগঞ্জ বাজারে সড়কের পরিসর বেড়েছে। এতে যানজট কমা এবং পথচারীদের চলাচল সহজ হওয়ার কথা। তবে প্রসারিত সড়কের মাঝখানে প্রায় ১৪টি বৈদ্যুতিক খুঁটি রয়ে যাওয়ায় উদ্বেগ তৈরি হয়েছে। ব্যস্ত আঞ্চলিক মহাসড়কের মাঝখানে খুঁটি থাকলে নাগরিক নিরাপত্তা বিঘ্নিত হতে পারে এবং ভবিষ্যতে সড়কটি দুর্ঘটনাপ্রবণ হয়ে ওঠার আশঙ্কা রয়েছে। এতে বাজারের যান চলাচল ও সৌন্দর্যও ব্যাহত হতে পারে।
চলমান উন্নয়নকাজের সময় বৈদ্যুতিক খুঁটিগুলো নিরাপদ স্থানে সরিয়ে নেওয়া গেলে ভবিষ্যতে রাস্তা কেটে নতুন করে কাজ করার প্রয়োজন কমবে। এতে সরকারি অর্থ ও সময় সাশ্রয়ের পাশাপাশি জনগণের দীর্ঘমেয়াদি দুর্ভোগও কমতে পারে।
হাজীগঞ্জ বাজারের ব্যবসায়ী, পথচারী ও স্থানীয় জনগণের নিরাপত্তার স্বার্থে সংশ্লিষ্ট সংস্থাগুলোকে দ্রুত পদক্ষেপ নেওয়ার দাবি জানানো হয়েছে। সড়ক বিভাগ, পল্লী বিদ্যুৎ সমিতি, ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান এবং স্থানীয় প্রশাসনের মধ্যে জরুরি সমন্বয়ের প্রয়োজন রয়েছে। স্মারকলিপিতে দেওয়া ১৫ দিনের সময়সীমার মধ্যে পল্লী বিদ্যুৎ কর্তৃপক্ষ কার্যকর ব্যবস্থা নেবে—এমন প্রত্যাশা জানানো হয়েছে।