
মুন্সীগঞ্জের শ্রীনগর উপজেলার অগ্রণী ব্যাংক শাখা থেকে ২১৩ জন গ্রাহকের প্রায় ২০ কোটি টাকা আত্মসাৎ করে আত্মগোপনে যাওয়া ক্যাশ অফিসার শরিফুজ্জামান সোহাগকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। তবে অভিযুক্ত গ্রেফতার হলেও টাকা হারানোর আশঙ্কায় গ্রাহকদের আতঙ্ক ও দুশ্চিন্তা কাটেনি।
জালিয়াতির ঘটনার পর গত ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬ আত্মগোপনে চলে যান ক্যাশ অফিসার সোহাগ। পরে ২৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬ মিরপুরের পাইকপাড়ায় তাঁর বোনের বাসা থেকে তাঁকে গ্রেফতার করে ডিবি পুলিশ।
সোহাগ গ্রেফতার হওয়ার খবর ছড়িয়ে পড়লেও গ্রাহকদের মধ্যে স্বস্তি ফেরেনি। ৩০ সেপ্টেম্বর ২০২৬ সকাল থেকে শ্রীনগর প্লাজায় অবস্থিত অগ্রণী ব্যাংক শাখায় শত শত গ্রাহক ভিড় করেন। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে একপর্যায়ে সেখানে অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়।
ব্যাংকের কার্যক্রম শুরু হলে গ্রাহকেরা নিজেদের আমানতের স্থিতি পরীক্ষা করেন। টাকা সুরক্ষিত আছে কি না যাচাইয়ের পাশাপাশি অধিকাংশ গ্রাহক আমানত তুলে নেওয়ার চেষ্টা করেন। একসঙ্গে বিপুল পরিমাণ টাকা উত্তোলনের চাপ তৈরি হওয়ায় গ্রাহকদের সামলাতে ব্যাংক কর্মকর্তাদের হিমশিম খেতে হচ্ছে।