
আসন্ন ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনকে সামনে রেখে হাজীগঞ্জ উপজেলার ১নং রাজারগাঁও ইউনিয়নে সম্ভাব্য চেয়ারম্যান প্রার্থীদের নিয়ে স্থানীয়ভাবে আলোচনা শুরু হয়েছে। এরই মধ্যে সম্ভাব্য চেয়ারম্যান প্রার্থী হিসেবে আলোচনায় এসেছেন মোঃ আব্দুল করিম বেপারী।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, দীর্ঘদিন প্রবাসে থাকলেও আব্দুল করিম বেপারী নিজ এলাকার মানুষের সঙ্গে যোগাযোগ রাখছেন এবং সামাজিক কর্মকাণ্ডে সম্পৃক্ত রয়েছেন। রাজারগাঁও সমাজ সেবা সংঘের অফিস ভবন সংস্কার, রাজারগাঁও বাজারের কেন্দ্রীয় ঈদগাহ ময়দানের প্রধান গেট নির্মাণ, খেলাধুলার আয়োজন ও বিভিন্ন সময়ে আর্থিক সহযোগিতার সঙ্গে তিনি যুক্ত ছিলেন বলে স্থানীয় সংবাদমাধ্যম ও অনলাইন পোর্টালে প্রকাশিত হয়েছে।
তিনি বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের কোনো পদ-পদবিতে না থাকলেও দলীয় কর্মী হিসেবে কাজ করে আসছেন বলে স্থানীয় সূত্র জানিয়েছে। সম্প্রতি ইতালি থেকে দেশে ফেরার পর ইউনিয়ন বিএনপির নেতা-কর্মীরা ঢাকার বিমানবন্দরে তাকে ফুলের মালা দিয়ে বরণ করেন।
আব্দুল করিম বেপারী জানিয়েছেন, এলাকার মানুষের ভালোবাসা ও সহযোগিতা পেলে তিনি রাজারগাঁও ইউনিয়নের মানুষের পাশে থেকে সেবামূলক ও উন্নয়নমূলক কর্মকাণ্ডে ভূমিকা রাখতে চান। সাধারণ মানুষের সঙ্গে যোগাযোগ বাড়ানো এবং সামাজিক কর্মকাণ্ডে অংশ নেওয়ার মাধ্যমে তিনি নিজের অবস্থান তুলে ধরেছেন বলেও জানান তিনি।
সম্প্রতি দৈনিক চাঁদপুর কণ্ঠে প্রকাশিত স্থানীয় নির্বাচনী পরিস্থিতি নিয়ে একটি প্রতিবেদনে রাজারগাঁও ইউনিয়নে বিএনপির সমর্থন প্রত্যাশী সম্ভাব্য চেয়ারম্যান প্রার্থীদের আলোচনায় আব্দুল করিম বেপারীর নাম উল্লেখ করা হয়েছে। প্রতিবেদনে তাকে সমাজসেবামূলক কর্মকাণ্ডে সম্পৃক্ত সম্ভাব্য প্রার্থী হিসেবে তুলে ধরা হয়।
স্থানীয় ভোটারদের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, নির্বাচনকে ঘিরে সম্ভাব্য প্রার্থীদের নিয়ে আলোচনা চলছে। তবে শেষ পর্যন্ত কারা প্রার্থী হবেন এবং নির্বাচনের আনুষ্ঠানিক তফসিলসহ অন্যান্য বিষয় নির্বাচন কমিশনের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী নির্ধারিত হবে।
আব্দুল করিম বেপারী বলেন, দীর্ঘদিন প্রবাসে থাকলেও তিনি এলাকার মানুষের সঙ্গে যোগাযোগ রাখার চেষ্টা করেন। ইউনিয়নবাসীর ভালোবাসা ও সমর্থন তাকে অনুপ্রেরণা দেয় বলেও জানান তিনি। দায়িত্ব পেলে মাদক, ইভটিজিং ও ঘুষ-বাণিজ্যমুক্ত ইউনিয়ন গড়তে সততা ও নিষ্ঠার সঙ্গে কাজ করার চেষ্টা করবেন বলে তিনি জানিয়েছেন।
রাজারগাঁও ইউনিয়নে সম্ভাব্য চেয়ারম্যান প্রার্থীদের তৎপরতায় নির্বাচনী আমেজ তৈরি হয়েছে। আগামী দিনে প্রার্থীদের জনসংযোগ ও সামাজিক কর্মকাণ্ড আরও বাড়তে পারে বলে স্থানীয় সাধারণ মানুষ মনে করছেন।