1. banglaaadi@gmail.com : News Desk : News Desk
  2. info@www.aadibangla.com : - : AADI BANGLA
বৃহস্পতিবার, ১৫ অক্টোবর ২০২৬, ০৯:১৮ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
কচুয়া উত্তর ইউনিয়নে বিএনপির চেয়ারম্যান মনোনয়নপ্রার্থী কাজী জাকির হোসেন শাহমাহমুদপুরে শিক্ষক শাহনেওয়াজ খানের রাজকীয় বিদায় সংবর্ধনা শাহরাস্তিতে ক্লাস ফাঁকি দিয়ে ওয়াকওয়েতে আড্ডা, আটক ১৬ শিক্ষার্থী বাবুরহাট কলেজে মকবুল-রাজিয়া ফাউন্ডেশনের শিক্ষাবৃত্তি প্রদান চাঁদপুর ওয়াইডব্লিউসিএ স্কুলের উন্নয়নে সরকারি সহায়তার উদ্যোগ নেব: শেখ ফরিদ আহমেদ মানিক এমপি চাঁদপুর জেলা পরিষদ পরিদর্শনে শেখ ফরিদ আহম্মেদ মানিক এমপি চাঁদপুরে কোস্টগার্ডের অভিযানে সাড়ে ৪ লাখ মিটার কারেন্ট জাল জব্দ, আটক ৫২ জেলে চাঁদপুরে মাদকসহ গ্রেফতার ১১, কিশোর গ্যাং সন্দেহে আটক ৭৬ চাঁদপুরে ৮ হাজার মিটার কারেন্ট জাল জব্দ, ৫ জেলের বিরুদ্ধে মামলা ফরিদগঞ্জে জাতীয় হিফজুল কুরআন প্রতিযোগিতা ও পুরস্কার বিতরণ

নারায়ণপুরে ভূয়া চিকিৎসকের হাতে ভাঙা হাতের চিকিৎসার অভিযোগ

  • প্রকাশিত: বুধবার, ৫ আগস্ট, ২০২৬
  • ২০৮ বার পড়া হয়েছে

 নিজস্ব প্রতিবেদক, চাঁদপুরের মতলব দক্ষিণ উপজেলার নারায়ণপুর বাজারে অবস্থিত ম্যাক্স ভিআইপি প্রা. লিমিটেড হাসপাতালে এক মাদ্রাসা শিক্ষার্থীর ভাঙা হাতের চিকিৎসা হাসপাতালের ম্যানেজার ও সাবেক ইউপি সদস্য আসলাম মিয়াজী চিকিৎসক পরিচয়ে করেছেন এমন অভিযোগ উঠেছে। চিকিৎসার প্রায় এক মাস পরও শিশুটির হাতের অবস্থার উন্নতি না হওয়ায় পরিবার উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তার কাছে লিখিত অভিযোগ করেছে।

অভিযোগের পর ঘটনাটি তদন্তের উদ্যোগ নিয়েছে স্বাস্থ্য বিভাগ।

অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, গত ১০ জুলাই উপজেলার তেলিমাছুয়াখাল গ্রামের বাসিন্দা মো. সোহাগের ছেলে ও স্থানীয় একটি মাদ্রাসার হেফজ বিভাগের শিক্ষার্থী মো. ইয়াছিন (১০) খেলতে গিয়ে ডান হাত ভেঙে ফেলে। পরে পরিবারের সদস্যরা তাকে চিকিৎসার জন্য নারায়ণপুর বাজারের ম্যাক্স ভিআইপি প্রা. লিমিটেড হাসপাতালে নিয়ে যান।

 

অভিযোগে বলা হয়, হাসপাতালের ম্যানেজার ও সাবেক ইউপি সদস্য আসলাম মিয়াজী নিজেই চিকিৎসক পরিচয়ে শিশুটির ভাঙা হাতে ব্যান্ডেজ করেন। এ সময় চিকিৎসা ও ব্যান্ডেজ বাবদ দুই দফায় মোট সাড়ে পাঁচ হাজার টাকা নেওয়া হয়। পরপর দুই দিন ব্যান্ডেজ পরিবর্তনের পরও শিশুটির অবস্থার উন্নতি হয়নি। প্রায় এক মাস পর পুনরায় এক্স-রে করলে দেখা যায়, হাতের ভাঙা অংশ আগের অবস্থাতেই রয়েছে।

 বর্তমানে সে তীব্র ব্যথায় ভুগছে এবং মাদ্রাসায়ও যেতে পারছে না।

 

আহত শিক্ষার্থীর দাদা মো. আবুল কালাম গত ৩ আগস্ট উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তার কাছে দেওয়া লিখিত অভিযোগে দাবি করেন, হাসপাতালের ব্যবস্থাপনা পরিচালক শেখ ওমর ফারুককে বিষয়টি জানালে তিনি আশ্বস্ত করে বলেন, কোনো সমস্যা হবে না, বাচ্চা বড় হলে ঠিক হয়ে যাবে। এতে সন্তুষ্ট না হয়ে তিনি ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত এবং দায়ীদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের আবেদন জানান।

 

অভিযোগের বিষয়ে হাসপাতালের ব্যবস্থাপনা পরিচালক শেখ ওমর ফারুক বলেন, শিশুটির চিকিৎসা ও ব্যান্ডেজ করেছেন চিকিৎসক ডা. ইব্রাহিম খলিল। হাসপাতালের ম্যানেজার আসলাম মিয়াজী কেবল চিকিৎসককে সহযোগিতা করেছেন। তবে ডা. ইব্রাহিম খলিল অর্থোপেডিকস বিশেষজ্ঞ কি না এ প্রশ্নের তিনি সরাসরি উত্তর দেননি।

এ বিষয়ে মতলব দক্ষিণ উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা গোলাম রায়হান বলেন, আমরা লিখিত অভিযোগ পেয়েছি। বিষয়টি তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে। অভিযোগের সত্যতা মিললে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তি ও হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের বিরুদ্ধে বিধি অনুযায়ী ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে। পাশাপাশি অভিযুক্ত ব্যক্তি ও হাসপাতালের ব্যবস্থাপনা পরিচালকের কাছে শোকজ নোটিশ পাঠানো হবে।”

আরো সংবাদ পড়ুন

পুরাতন সংবাদ পড়ুন

© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত -২০২৬, আমাদের প্রকাশিত সংবাদ, কলাম, তথ্য, ছবি, কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার দণ্ডনীয় অপরাধ।
ওয়েবসাইট ডিজাইন : ইয়োলো হোস্ট