
অনুসন্ধানে জানা যায়, ২০২৩ সালের জুলাই মাসে তৎকালীন আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে উত্তর বাইশপুর গ্রামের আবুল কালাম মিয়াজী লঞ্চঘাটের যাত্রী ছাউনিটি অস্থায়ীভাবে নিজের নামে বরাদ্দ (লিজ) নেন। তবে বরাদ্দ পাওয়ার পরও নানা জটিলতার কারণে তিনি জায়গাটির দখল নিতে পারেননি। পরবর্তীতে আবুল কালাম মিয়াজীর কাছ থেকে জায়গাটি কিনে নেন বলে জানা গেছে ভিপি জাকির হোসেন।
সূত্র জানায়, দীর্ঘ সময়ের জেলা পরিষদের পাওনা ৪৫ হাজার টাকা পরিশোধের পর ২০২৬ সালের সেপ্টেম্বর মাসে জেলা পরিষদ আবুল কালাম মিয়াজীর নাম পরিবর্তন করে শর্তসাপেক্ষে চরমুকুন্দি গ্রামের জাকির হোসেন প্রধানের নামে জায়গাটি নতুন করে বরাদ্দ দেয়।
এরপর যাত্রী ছাউনিটি দখলে নেওয়ার বিষয়টি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়লে শুরু হয় আলোচনা-সমালোচনা। ছড়িয়ে পড়া একটি অডিও রেকর্ডে জাকির হোসেনকে বলতে শোনা যায়, তিনি সরকারের কাছ থেকে টাকা দিয়ে জায়গাটি ক্রয় করেছেন বলে দাবি করছেন।
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এলাকার একাধিক ব্যক্তি জানান, ঢাকা-মতলব নৌপথে প্রতিদিন লঞ্চ চলাচল করে। ঝড়-বৃষ্টি ও রোদের সময় যাত্রীরা এই যাত্রী ছাউনিতে আশ্রয় নিতেন। জনসাধারণের ব্যবহারের জন্য নির্মিত যাত্রী ছাউনিটি লিজ দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়ে প্রশ্ন তুলে তারা বলেন, জনস্বার্থে যাত্রী ছাউনিটির বরাদ্দ বাতিল করে পুনরায় যাত্রীদের ব্যবহারের জন্য উন্মুক্ত করা প্রয়োজন। এ বিষয়ে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের হস্তক্ষেপ কামনা করেন তারা।
অভিযোগের বিষয়ে ভিপি জাকির হোসেন বলেন, “আমি জেলা পরিষদ থেকে টাকা দিয়ে বরাদ্দ এনেছি। একটি কুচক্রী মহল আমার ও দলের বিরুদ্ধে মিথ্যা অপপ্রচার চালাচ্ছে।”