
নিজস্ব প্রতিনিধি: ফ্যামিলি কার্ড কর্মসূচির আওতায় পরিবারভিত্তিক তথ্য সংগ্রহ কার্যক্রম আগামীকাল হাজীগঞ্জ উপজেলার ৬ নম্বর বড়কুল পূর্ব ইউনিয়ন ও ৮ নম্বর হাটিলা পূর্ব ইউনিয়নে আনুষ্ঠানিকভাবে উদ্বোধন করা হবে। উপজেলা সমাজসেবা কর্মকর্তা মো. শাহাদাত হোসেন এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।
ফ্যামিলি কার্ডের জন্য পরিবারের ১৮ বছর বা তার বেশি বয়সী সদস্যদের জাতীয় পরিচয়পত্র এবং ১৮ বছরের কম বয়সীদের জন্মসনদ প্রয়োজন হবে। যেসব শিশুর জন্মসনদ এখনো করা হয়নি, তা দ্রুত করার জন্য নির্দেশ দিয়েছেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. ইবনে আল জায়েদ হোসেন।
সোমবার (১২ অক্টোবর) দুপুরে জাতীয় পর্যায়ে প্রেস কনফারেন্সের মাধ্যমে দেশব্যাপী একযোগে তথ্য সংগ্রহ কার্যক্রমের উদ্বোধন করা হয়। একই সময়ে টেলিকনফারেন্সে যুক্ত হয়ে হাজীগঞ্জ উপজেলা এ কার্যক্রমে অংশ নেয়।
উপজেলা প্রশাসন ও সমাজসেবা কার্যালয়ের আয়োজনে অনুষ্ঠানে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. ইবনে আল জায়েদ হোসেন বলেন, সরকারি পরিচয়পত্রধারী তথ্য সংগ্রাহকেরা বাড়ি বাড়ি গিয়ে পরিবারের আর্থসামাজিক তথ্য সংগ্রহ করবেন। সংগৃহীত তথ্যের ভিত্তিতে সহায়তার অগ্রাধিকার নির্ধারণ করা হবে।
তথ্য সংগ্রাহক ও সুপারভাইজারদের উদ্দেশে তিনি বলেন, এটি সরকারের অগ্রাধিকারভিত্তিক প্রকল্প। তাই নির্ভুল তথ্য সংগ্রহে গুরুত্ব দিতে হবে। অবহেলা বা গাফিলতিজনিত ভুল গ্রহণ করা হবে না। কোনো সমস্যা হলে ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের সহযোগিতা নেওয়ার নির্দেশ দেন তিনি।
উপজেলা সমাজসেবা কর্মকর্তা মো. শাহাদাত হোসেন জানান, ফ্যামিলি কার্ডের জন্য কোনো অর্থ লেনদেনের প্রয়োজন নেই। কেউ টাকা দাবি করলে তাঁকে, ইউএনওকে অথবা জাতীয় জরুরি সেবা নম্বর ১০৯৮-এ অভিযোগ জানানো যাবে। অভিযোগ পেলে অভিযুক্তের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে তিনি জানান।
তিনি আরও জানান, তথ্য সংগ্রহের সময় ফ্যামিলি কার্ডপ্রত্যাশীর জাতীয় পরিচয়পত্র, একটি মোবাইল নম্বর, পরিবারের সব সদস্যের জাতীয় পরিচয়পত্র এবং পরিচয়পত্র না থাকা সদস্যদের জন্মসনদ থাকতে হবে। প্রয়োজনীয় কাগজপত্র না থাকলে তা সংগ্রহ করে রাখার অনুরোধ করা হয়েছে।
অনুষ্ঠানে আরও বক্তব্য দেন উপজেলা বিএনপির সদস্যসচিব এম এ রহিম পাটওয়ারী। হাজীগঞ্জ প্রেসক্লাবের সাবেক সভাপতি হাসান মাহমুদ, সাধারণ সম্পাদক মেহেদী হাছান পাপ্পু, অর্থ সম্পাদক মোহাম্মদ হাবীব উল্যাহ্সহ সরকারি কর্মকর্তা, তথ্য সংগ্রাহক ও সুপারভাইজাররা উপস্থিত ছিলেন।