শুক্রবার (২৮ আগস্ট) দুপুরে চাঁদপুর শহরের বাবুরহাট এলাকার রহমানিয়া নূরানী হাফেজিয়া মাদ্রাসা ও জামে মসজিদে জুমার নামাজ আদায় শেষে মুসল্লিদের সঙ্গে কুশল বিনিময়কালে তিনি এসব কথা বলেন।
এ সময় আলহাজ্ব মোঃ মোশাররফ হোসাইন বলেন, মানুষের জন্য কাজ করার সুযোগ পাওয়া আল্লাহর পক্ষ থেকে বড় একটি নিয়ামত। অর্থ-বিত্ত কিংবা পদ-পদবির চেয়ে মানুষের ভালোবাসা ও দোয়া একজন মানুষের জীবনের বড় অর্জন। তাই সামর্থ্য অনুযায়ী মানুষের পাশে দাঁড়াতে সবসময় চেষ্টা করি।
তিনি বলেন, চাঁদপুরের মানুষের সঙ্গে আমার আত্মার সম্পর্ক রয়েছে। এ জেলার মানুষের সুখ-দুঃখ, আশা-আকাঙ্ক্ষা ও নানা সমস্যার সঙ্গে আমি নিজেকে সম্পৃক্ত মনে করি। সামর্থ্যের মধ্যে মানুষের প্রয়োজনের সময়ে পাশে থাকা এবং সমাজের কল্যাণে ভূমিকা রাখাই এখন আমার কাছে গুরুত্বপূর্ণ। ইনশাল্লাহ এই মসজিদের উন্নয়নে আমি নিজের প্রতিষ্ঠানের মতই পাশে থাকার চেষ্টা করব।
মুসল্লিদের সঙ্গে কুশল বিনিময়কালে তিনি এলাকার বিভিন্ন বিষয়ে খোঁজখবর নেন এবং স্থানীয় মানুষের কথা মনোযোগ দিয়ে শোনেন। এ সময় তিনি মাদ্রাসা ও মসজিদের বিভিন্ন বিষয় নিয়েও খোঁজ নেন।
আলহাজ্ব মোঃ মোশাররফ হোসাইন আরও বলেন, চাঁদপুরকে একটি সুন্দর, পরিচ্ছন্ন ও মানবিক শহর হিসেবে গড়ে তুলতে হলে দল-মত নির্বিশেষে সবাইকে একসঙ্গে কাজ করতে হবে। মানুষের মৌলিক নাগরিক সুবিধা নিশ্চিত করার পাশাপাশি শিক্ষা, স্বাস্থ্য, ধর্মীয় ও সামাজিক প্রতিষ্ঠানগুলোর উন্নয়নেও সম্মিলিত উদ্যোগ প্রয়োজন।
এ সময় উজানী মাদ্রাসার মোহতামিম পীর সাহেব মাওলানা মাহাবুব এলাহী, মসজিদের খতিব এবং স্থানীয় মুসল্লি, মাদ্রাসার শিক্ষক-শিক্ষার্থী ও এলাকার বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ উপস্থিত ছিলেন।