1. banglaaadi@gmail.com : News Desk : News Desk
  2. info@www.aadibangla.com : - : AADI BANGLA
বৃহস্পতিবার, ১৫ অক্টোবর ২০২৬, ০৫:৫৮ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
কচুয়া উত্তর ইউনিয়নে বিএনপির চেয়ারম্যান মনোনয়নপ্রার্থী কাজী জাকির হোসেন শাহমাহমুদপুরে শিক্ষক শাহনেওয়াজ খানের রাজকীয় বিদায় সংবর্ধনা শাহরাস্তিতে ক্লাস ফাঁকি দিয়ে ওয়াকওয়েতে আড্ডা, আটক ১৬ শিক্ষার্থী বাবুরহাট কলেজে মকবুল-রাজিয়া ফাউন্ডেশনের শিক্ষাবৃত্তি প্রদান চাঁদপুর ওয়াইডব্লিউসিএ স্কুলের উন্নয়নে সরকারি সহায়তার উদ্যোগ নেব: শেখ ফরিদ আহমেদ মানিক এমপি চাঁদপুর জেলা পরিষদ পরিদর্শনে শেখ ফরিদ আহম্মেদ মানিক এমপি চাঁদপুরে কোস্টগার্ডের অভিযানে সাড়ে ৪ লাখ মিটার কারেন্ট জাল জব্দ, আটক ৫২ জেলে চাঁদপুরে মাদকসহ গ্রেফতার ১১, কিশোর গ্যাং সন্দেহে আটক ৭৬ চাঁদপুরে ৮ হাজার মিটার কারেন্ট জাল জব্দ, ৫ জেলের বিরুদ্ধে মামলা ফরিদগঞ্জে জাতীয় হিফজুল কুরআন প্রতিযোগিতা ও পুরস্কার বিতরণ

শিশুদের নিরাপত্তাহীনতা

  • প্রকাশিত: বুধবার, ৭ অক্টোবর, ২০২৬
  • ৩২ বার পড়া হয়েছে
শিশুদের নিরাপত্তাহীনতা

কড়াইল বস্তির নারী বাসিন্দাদের ভাষ্য, সেখানে প্রতিদিনই শিশু নিখোঁজের সংবাদ প্রচারে মাইকিং হয় এবং সম্প্রতি এ ধরনের ঘটনা বেড়েছে। তাঁদের আতঙ্কের মধ্যে নয় বছরের এক কন্যাশিশু চার দিন নিখোঁজ থাকার পর একা ফিরে আসে; পরে জানা যায়, সে ধর্ষণের শিকার হয়েছে। শিশুটির মা বাসাবাড়ির কাজ থেকে ফিরে মেয়েকে ঘরে না পেয়ে চারদিকে খোঁজ করেন। রাতে ও পরদিন মাইকিং করা হলেও তাকে পাওয়া যায়নি। থানায় জিডি করতে গিয়ে নানা প্রশ্ন ও সময়ক্ষেপণের মুখে পড়তে হয়েছে বলে স্থানীয় বাসিন্দারা জানিয়েছেন।

চার দিন পর শিশুটি একা বস্তিতে ফিরে আসে। সে কোথায় বা কীভাবে ছিল, তা বলতে পারেনি। শুধু একটি ঘরের বর্ণনা দিয়ে জানায়, সেখানে মাথার চুল বাঁধার ফিতা, ক্লিপ ও লিপস্টিক ছড়িয়ে ছিল এবং ওই ঘরেই তাকে রাখা হয়েছিল। তার সঙ্গে আরও চার-পাঁচজন মেয়ে ছিল। শিশুটির চোখে ভয় ছিল এবং বাড়ি ফেরার পরই সে অসুস্থ হয়ে পড়ে। পরে জানা যায়, সে ধর্ষণের শিকার হয়েছে।

নিখোঁজ হওয়ার ঘটনায় থানায় জিডি করা হলেও শিশুটিকে যে অবস্থায় পাওয়া গেছে, তা থানাকে জানানো হয়েছে কি না—এ বিষয়ে স্থানীয় বাসিন্দাদের বক্তব্যে পুলিশের প্রতি অনাস্থা প্রকাশ পেয়েছে। তাঁদের অভিযোগ, বস্তি থেকে শিশু নিখোঁজ হওয়ার ঘটনাগুলো নিয়ে সংশ্লিষ্টদের যথেষ্ট তৎপরতা নেই।

জাতীয় প্রচারমাধ্যমে সাম্প্রতিক সময়ে শিশু নিখোঁজ ও হত্যার খবর প্রকাশিত হচ্ছে। পত্রিকায় প্রকাশিত তথ্য অনুযায়ী, পুলিশ সদর দপ্তরের হিসাবে গত তিন বছর সাত মাসে ৭২ হাজার ৪৮৯ শিশুর নিখোঁজের ঘটনায় থানায় সাধারণ ডায়েরি হয়েছে। পুলিশ দাবি করেছে, নিখোঁজ শিশুদের ৯০ শতাংশের বেশি উদ্ধার হয়েছে। তবে উদ্ধার হওয়া শিশুদের কতজন জীবিত এবং কতজনের মরদেহ উদ্ধার হয়েছে, সেই তথ্য আলাদাভাবে নেই বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।

মানবাধিকার সংস্থা আইন ও সালিশ কেন্দ্রের হিসাবে, চলতি বছরের প্রথম আট মাসে সারা দেশে ২৫৪ শিশু খুন হয়েছে। এর মধ্যে নিখোঁজের পর ৩৬ শিশুর মরদেহ উদ্ধার হয়েছে বলে সংস্থাটি জানিয়েছে। একই সময়ে শিশু ধর্ষণের ঘটনাও অব্যাহত রয়েছে। নারী ও পুরুষ—উভয় শিশুই নির্যাতনের শিকার হচ্ছে; মাদ্রাসায় শিক্ষক ও জ্যেষ্ঠ শিক্ষার্থীদের বিরুদ্ধে এমন অভিযোগও রয়েছে।

শিশুদের নিরাপত্তাহীনতার আরেকটি উদাহরণ হিসেবে কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের এক শিক্ষিকার ১৩ বছর বয়সী সন্তান অপ্রতিমকে হত্যার ঘটনা উল্লেখ করা হয়েছে। তদন্তকারী কর্তৃপক্ষের দাবি অনুযায়ী, অপ্রতিমের আইফোন হত্যার কারণ হতে পারে। তবে এ ঘটনা নিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে নানা প্রশ্ন, প্রতিক্রিয়া ও দোষারোপের প্রবণতা দেখা গেছে। এতে হত্যাকাণ্ডের মূল অপরাধ ও বিচারপ্রক্রিয়া আড়ালে পড়ে যাওয়ার আশঙ্কা তৈরি হয়।

শিশু নিখোঁজ, নির্যাতন ও হত্যার ঘটনা প্রতিরোধে সংশ্লিষ্টদের কঠোর ও কার্যকর পদক্ষেপ প্রয়োজন। শিশুদের নিরাপত্তা নিশ্চিত না হলে তা দেশের ভবিষ্যতের জন্য গুরুতর হুমকি হয়ে থাকবে।

আরো সংবাদ পড়ুন

পুরাতন সংবাদ পড়ুন

সোম মঙ্গল বুধ বৃহ শুক্র শনি রবি
 ১২৩৪
৫৬৭৮৯১০১১
১২১৩১৪১৫১৬১৭১৮
১৯২০২১২২২৩২৪২৫
২৬২৭২৮২৯৩০৩১  
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত -২০২৬, আমাদের প্রকাশিত সংবাদ, কলাম, তথ্য, ছবি, কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার দণ্ডনীয় অপরাধ।
ওয়েবসাইট ডিজাইন : ইয়োলো হোস্ট