1. banglaaadi@gmail.com : News Desk : News Desk
  2. info@www.aadibangla.com : - : AADI BANGLA
বৃহস্পতিবার, ১৫ অক্টোবর ২০২৬, ১০:৩৫ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
কচুয়া উত্তর ইউনিয়নে বিএনপির চেয়ারম্যান মনোনয়নপ্রার্থী কাজী জাকির হোসেন শাহমাহমুদপুরে শিক্ষক শাহনেওয়াজ খানের রাজকীয় বিদায় সংবর্ধনা শাহরাস্তিতে ক্লাস ফাঁকি দিয়ে ওয়াকওয়েতে আড্ডা, আটক ১৬ শিক্ষার্থী বাবুরহাট কলেজে মকবুল-রাজিয়া ফাউন্ডেশনের শিক্ষাবৃত্তি প্রদান চাঁদপুর ওয়াইডব্লিউসিএ স্কুলের উন্নয়নে সরকারি সহায়তার উদ্যোগ নেব: শেখ ফরিদ আহমেদ মানিক এমপি চাঁদপুর জেলা পরিষদ পরিদর্শনে শেখ ফরিদ আহম্মেদ মানিক এমপি চাঁদপুরে কোস্টগার্ডের অভিযানে সাড়ে ৪ লাখ মিটার কারেন্ট জাল জব্দ, আটক ৫২ জেলে চাঁদপুরে মাদকসহ গ্রেফতার ১১, কিশোর গ্যাং সন্দেহে আটক ৭৬ চাঁদপুরে ৮ হাজার মিটার কারেন্ট জাল জব্দ, ৫ জেলের বিরুদ্ধে মামলা ফরিদগঞ্জে জাতীয় হিফজুল কুরআন প্রতিযোগিতা ও পুরস্কার বিতরণ

হার্ট অ্যাটাকে কখন কী চিকিৎসা

  • প্রকাশিত: সোমবার, ৫ অক্টোবর, ২০২৬
  • ৩১ বার পড়া হয়েছে
হার্ট অ্যাটাকে কখন কী চিকিৎসা

অফিসে কাজ করার সময় হঠাৎ বুকে ব্যথা ও ঘাম হলে দেরি না করে রোগীকে কাছের হাসপাতালের জরুরি বিভাগে নিতে হবে। ইসিজিতে বড় ধরনের হার্ট অ্যাটাক ধরা পড়লে এবং বড় ধমনি বন্ধ হয়ে গেলে জরুরি ভিত্তিতে অ্যানজিওগ্রাম করে ব্লক অপসারণ ও স্টেন্ট বসানোর চিকিৎসা প্রয়োজন।

এ চিকিৎসাপদ্ধতিকে প্রাইমারি পিসিআই বলা হয়। অ্যানজিওগ্রামের মাধ্যমে ব্লকের অবস্থান শনাক্ত করে ধাতব জালের সরু পাইপ বা স্টেন্ট বসানো হয়, যাতে হার্টে স্বাভাবিক রক্তপ্রবাহ ফিরিয়ে আনা যায়।

অনেক ক্ষেত্রে রোগীকে হাসপাতালে নিতে বা চিকিৎসার সিদ্ধান্ত নিতে দেরি হয়। হার্ট অ্যাটাকের পর শুধু ওষুধ দিয়ে পরিস্থিতি স্থিতিশীল করে পরে অ্যানজিওগ্রাম করা যাবে—এ ধারণা সঠিক নয়।

হার্ট অ্যাটাকের ধরন

ইসিজির ধরন অনুযায়ী হার্ট অ্যাটাক প্রধানত দুই ধরনের—এসটিইএমআই ও নন-এসটিইএমআই। এসটিইএমআইয়ের ক্ষেত্রে বড় রক্তনালি জমাট রক্তে পুরোপুরি বন্ধ হয়ে হার্টে রক্ত সরবরাহ বন্ধ হয়ে যায়। দ্রুত ধমনি খুলে না দিলে হৃৎপিণ্ডের মাংসপেশি স্থায়ীভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারে এবং হার্ট ফেইলিউর বা কার্ডিয়াক অ্যারেস্টের মতো জটিলতা দেখা দিতে পারে।

নন-এসটিইএমআইয়ের ক্ষেত্রে কোনো রক্তনালি পুরোপুরি বা আংশিক বন্ধ হয়ে মাংসপেশির ক্ষতি হয়। এ ধরনের হার্ট অ্যাটাক তুলনামূলক কম ঝুঁকিপূর্ণ হলেও দ্রুত চিকিৎসা না হলে আবার হার্ট অ্যাটাক হতে পারে।

এসটিইএমআইয়ের চিকিৎসা

এসটিইএমআই হলে যত দ্রুত সম্ভব জরুরি অ্যানজিওগ্রাম করে বন্ধ ধমনি খুলে দিতে হয়। ব্লক অপসারণ করে স্টেন্ট বসানোর এ পদ্ধতিকে প্রাইমারি অ্যানজিওপ্লাস্টি বলা হয়। এ চিকিৎসায় সাফল্য প্রায় ৯৫ শতাংশ বলে উল্লেখ করা হয়েছে। এতে হৃৎপিণ্ডের মাংসপেশি ও পাম্পিং ক্ষমতা রক্ষা পেতে পারে এবং পরবর্তী সময়ে হার্ট ফেইলিউরের ঝুঁকি কমে।

জরুরি অ্যানজিওপ্লাস্টির সুযোগ না থাকলে, বিশেষ করে প্রত্যন্ত এলাকায় বা হাসপাতালের দূরত্ব দুই ঘণ্টার বেশি হলে, আগে ওষুধ দিয়ে ব্লক খোলার চেষ্টা করা হয়। এ ক্ষেত্রে টেনেকটিপলেজ কার্যকর ওষুধ হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে; বিকল্প হিসেবে স্ট্রেপটোকাইনেজ ব্যবহার করা যেতে পারে। ওষুধ প্রয়োগের ২ থেকে ২৪ ঘণ্টার মধ্যে অ্যানজিওগ্রাম করতে হবে। ব্লক থাকলে তা অপসারণ করে স্টেন্ট বসাতে হবে।

নন-এসটিইএমআইয়ের চিকিৎসা

নন-এসটিইএমআই হার্ট অ্যাটাকেও যত দ্রুত সম্ভব অ্যানজিওগ্রাম করে ব্লকের অবস্থান, মাত্রা ও ব্যাপ্তি নির্ণয় করতে হবে। এরপর সেই অনুযায়ী পরবর্তী চিকিৎসা নির্ধারণ করা হয়।

আরো সংবাদ পড়ুন

পুরাতন সংবাদ পড়ুন

সোম মঙ্গল বুধ বৃহ শুক্র শনি রবি
 ১২৩৪
৫৬৭৮৯১০১১
১২১৩১৪১৫১৬১৭১৮
১৯২০২১২২২৩২৪২৫
২৬২৭২৮২৯৩০৩১  
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত -২০২৬, আমাদের প্রকাশিত সংবাদ, কলাম, তথ্য, ছবি, কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার দণ্ডনীয় অপরাধ।
ওয়েবসাইট ডিজাইন : ইয়োলো হোস্ট